Ad

পাকিস্তানের প্রতিশোধমূলক সামরিক অভিযান: ‘অপারেশন বুনিয়ানুম্ মারসুস’ শুরু।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত উত্তেজনা আরও গভীরতর রূপ নিল, যখন পাকিস্তান শুক্রবার সকালে ভারতের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালানোর ঘোষণা দেয়। পাকিস্তান এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘অপারেশন বুনিয়ানুম্ মারসুস’, যার অর্থ একটি “সুনির্মিত প্রাচীর” বা “অটুট কাঠামো” — এই নামটি কুরআনের সূরা অস্-সাফফ আয়াত ৪ থেকে নেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর বরাতে জানা যায়, এই অভিযান ভারতের মুরিদ, নূর খান এবং শোরকোট বিমানঘাঁটির ওপর ভারতের পূর্ববর্তী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভারতীয় সামরিক স্থাপনাসমূহ লক্ষ্যবস্তু করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের উদমপুর এবং পঠানকোট বিমানঘাঁটি।

পটভূমি:
এই সাম্প্রতিক উত্তেজনার সূচনা হয় ২২ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে, কাশ্মীরের পাহালগামে সংঘটিত একটি সন্ত্রাসী হামলায়, যেখানে ২৬ জন ভারতীয় পর্যটক নিহত হন। ভারত সরকার এই হামলার জন্য পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর ওপর দায় চাপিয়ে পাল্টা ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায়। এর প্রতিক্রিয়াতেই পাকিস্তান শুরু করে ‘অপারেশন বুনিয়ানুম্ মারসুস’।

সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি ১৯৯৯ সালের কারগিল যুদ্ধের পর দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক সংঘাত। যদিও দুই দেশের পক্ষ থেকেই যুদ্ধ এড়ানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে, তবুও পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

পাকিস্তান সেনাবাহিনী জানিয়েছে, এই অভিযান সম্পূর্ণরূপে প্রতিরক্ষামূলক এবং ভারতের আগ্রাসনের জবাব দিতে তারা বাধ্য হয়েছে।

বর্তমান সংঘাত দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক আলোচনার প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ ও শান্তি প্রচেষ্টা ছাড়া এই সংকট যে আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করতে পারে, সে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞরা করছেন।

Ad
Ad
Scroll to Top